Friday, February 6, 2015

কিভাবে Arduino Nano V3.0 এর USB Driver সমস্যা সমাধান করবেন।

সবাইকে প্রিতি ও শুভেচ্ছা জানিয়ে   আজ লিখতে বসলাম। আজ আমি আমার নতুন কেনা Arduino Nano V-3.0 নিয়ে সমস্যার কথা বলব। 
গতকাল সকালে Facebook খুলে টাইমেলাইনে Robo Accessories Bangladesh এর দেয়া একটা বিজ্ঞাপন দেখে সাথে সাথে অর্ডার করে ফেললাম। ভাগ্য ভাল বিকাশে ওয়ালেট টাকা ছিল। না হলে সাথে সাথে অর্ডার করতে পারতাম না। 
আজ বিকালে প্যাকেট হাতে পেলাম। ভালই ওদের সার্ভিস। যাই হোক Arduino Nano টা হাতে পেয়ে PC এর সাথে USB ক্যাবল দিয়ে দেখি serial communication পাচ্ছে না। Driver লাগবে । Goggle মামু রে অনেক জালাইয়্যা অনেক কষ্টে না পাইয়্যা সেলার রে মেসেজ দিলাম। তিনারা সাথে সাথে আমাকে রিপ্লেতে একটা লিংক দিল। লিংক হতে ড্রাইভার টি নামাইয়া install দিলাম। 

ইতি মধ্যে বুজতে পেরেছেন আজ আমার পোস্টটি করার মুল বিষয় নতুন Arduino Nano V3.0 এর Driver সমস্যা কীভাবে সমাধান করবেন। 
নতুন এবং দামে সস্তা Arduino Nano V3.0 টি ব্যবহার করতে গিয়ে আমরা সবাই USB Serial Driver সমস্যাতে পরি কারন Arduino Nano V3.0 তে CH340 USB Chip use করা হয়েছে ফলে আপনি যদি CH340 USB Driver না ব্যবহার ক্রেন তবে এই version Arduino Board ব্যবহার করতে পারবেন না।
এই সমস্যা সমাধানে ১ম এ নিচের দেয়া লিংক হতে ফাইল্ টি  ডাউনলোড করে আনজিপ করুন।
সাথে দেয়া Text ফাইলটি পড়ুন এবং দেয়া instruction অনুযায়ী  Driver টি Install করুন।
এখন Control Panel এ Device Manger থাকা  Port এ দেখুন কোন পোর্ট টি   CH340 serial USB port হিসাবে দেখাচ্ছে। সেটা Arduino IDE তে নির্ধারণ করে দিন।
ব্যাস হ্য়ে গেল এখন আপনি ইচ্ছামত আপনার Arduino Nano Board টি ব্যবহার করতে পারেন।

Arduino Nano CH340 USB Driver
ডাউনলোড লিংক
আপনাদের মঙ্গল কামনা করে আজ শেষ করছি আমার ছোট্ট পোস্ট। 

Sunday, February 1, 2015

আপনার হাতের মোবাইল দিয়ে সব কিছু নিয়ন্ত্রন করুন মাত্র ৭০ টাকায়

আসসালামু আলাইকুম,সবাইকে বাংলা নববর্ষ এর শুভেসুভে।আমি টেকটিউন
এ সব সময় ভিজিট করেছি কিন্তু কখনও টিউন করেনি। বিভিন্ন টিউন দেখে আমারও টিউন করতে ইচ্ছা করে।কিন্তু কি টিউন করব ভেবে পাচ্ছিলাম না। তাই অনেক ভেবে এই মজার প্রজেক্টটি টিউন করলাম। এটাই আমার প্রথম টিউন। প্রজেক্টটি যদি আপনাদের কাজে লাগে তবেই আমর কষ্ট সার্থক হবে।
এবার কাজের কথয় আসি। হ্যা বন্ধুরা GSM/CDMA Remote Control System সত্যিই একটা মজার এবং প্রয়োজনীয় প্রজেক্ট। আমরা অনেকই শুনেছি মোবাইল দ্বারা বিভিন্ন যন্ত্র যেমনঃ লাইট,ফ্যান,মোটর,টিভি ইত্যাদি দূর থেকে নিয়ন্ত্রন করা হয়।ঠিক তেমনি একটা প্রজেক্ট নিয়ে আমি এখানে আলোচনা করেছি। Circuit তৈরী করলে বুঝতে পারবেন প্রজেক্টটি কত মজার।
মনে করুন আপনি আজ বাড়ি যেতে পারবেন না।কিন্তু সন্ধ্যাবেলায় বাড়ির লাইটগুলো জ্বালানো দরকার। এক্ষেত্রে চিন্তার কোন কারন নাই। এ অবস্থায় আপনার হাতের মোবাইল দ্বারা একটা Missed Cal এর মাধ্যমে জ্বালিয়ে দিতে পারবেন আপনার বাড়ির লাইটগুলো। আরও মজার বিষয় হলো এটি বিশ্বের যেকোন প্রান্ত হতে নিয়ন্ত্রন সম্ভব।
Circuit ডায়াগ্রামটি হলো এই:

Component List:R1=3.9k

Saturday, January 31, 2015

সম্পূর্ণ ফ্রি তে পেওনিয়ার কার্ড তুলুন আপনার হাতে সাথে পাচ্ছেন বোনাস ২৫$


Payoneer হল একটি WorldWide ফ্রী মাস্টারকার্ড প্রদান কারি প্রতিষ্ঠান। Payoneer এর Prepaid ডেবিট MasteCard এর মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন কোম্পানি থেকে Payment Receive করতে পারবেন। যেমনঃ Odesk, Infolinks ETC.

Forex যারা কাজ করেন তারা খূব সহজেই  Payoneer Card ব্যবহার করে টাকা তুলতে পারেন।

আজকে Payoneer নিয়ে বেশি আলোচনা করবনা। আজকে দেখাব কিভাবে Payoneer এর মাধ্যমে Paypal Account Verify করা যায়। এবং Payoneer এর US Payment Service ব্যাবহার করে কিভাবে Paypal এর ডলার Payoneer এর মাস্টার কার্ড এ আনা যায়।



আপনারা যারা আউটসোসিং কাজ করেন তাদের প্রতেক উপলদ্ধি করতে পেরেছেন যে একটা ইন্টারন্যাশনাল কার্ড থাকলে কত সুবিধা। আপনার টাকা পৃথিবীর যে কোন দেশ থেকে তুলতে পারবেন। আপনার টাকা আপনার কার্ড দিয়ে আপনি অনলাইনে যে কোন প্রডাক্ট কিনতে পারবেন।



সুতরাং যাদের এখনো কার্ড নাই তারা এখনই কার্ড এর জন্য apply করুন। কার্ড জন্য apply যে information দিবেন তা ভাল করে লিখে রুখুন বিশেষ করে কার্ড এর মেইলপাসওয়ার্ড এবং পিন কোড ভালকরে লিখে রাখুন।

একাউন্ট করার জন্য ক্লিক করুন Payoneer  Signup Link

(উপরের লিংক Signup করলে আপনি পাবেন ২৫ ডলার ফ্রী সাথে আমি নিজেও পাব ২৫ ডলার এখানে আপনার ১০০ ডলার লেনদেন হলেই আমরা দুজনই এই ২৫ ডলার করে পাব)


২। Green  কালারের উপরের সাইনাআপ লিঙ্কে ক্লিক করার পর আপনি Sign Up পেইজ পাবেন। সেখানে যাওয়ার পর তখন  নিচের মত একটি পেজ পাবেন- 

 


৩।৩টি Step পাবেন এখানে।

  • Cardholder details
  • Card Account Information
  • Registration Verification

৪,এখন Cardholder Details এর বাম পাশে ক্লিক করে সঠিক ভাবে আপনার National ID Card/ Passport অনুযায়ী পূরণ করুন। নিচে একটি Sample দেওয়া হলঃ

First Name On Your ID:   RUBEL
Last Name on Your ID:     KHAN
Date of Birth:                      January/20/1988
Email Address:                   example@gmail.com (আপনার Email Address)
Retype Email Address:     example@gmail.com (পুনরায় আপনার Email Address)
Country:                              Bangladesh
Home Address:                  House: s-12, Paikpara,Mirpur, Dhaka, 1216 (আপনার বাসার ঠিকানা)
City:                                       Dhaka
Zip/Postal Code:                 1216 (পোস্টাল  কোড)
Phone Number:                 +8801710000000 ( আপনার ফোন নাম্বার) – এইখানে আপনার মোবাইল নাম্বার ও দিতে পারেন ।
Mobile Number:                +8801910000000 ( আপনার মোবাইল  নাম্বার)



প্রথম step ফর্ম পূরুন করার পর আপনি নিচের লেখা পাবেন।


৬। এখন Card Account Information এর বাম পাশে  ক্লিক করুন এবং নিচের চিত্র অনুযায়ী তথ্য দিনঃ




  এখন Step 3 Registration Verification ক্লিক করুন এবং নিচের চিত্র অনুযায়ী তথ্য দিনঃ

Please select a type of government-issued ID* (আপনার national id card নির্বাচিত করুন)



এখন সব ঠিক ভাবে পূরণ করে Finish এ ক্লিক করুন । আপনার Payoneer এর Registration সম্পন্ন হল।

ইমেইল চেক করুন যদি ফটো আইডি স্ক্যানিং করে পাঠাতে বলে তবে পাঠিয়ে দিন আর যদি Declined দেখায় তবে নিচে সমাধান দেখুন ।
Payoneer Application Declined সমস্যার সমাধান নিন ।
>>> বর্তমানে application করার সাথে সাথেই decline করে দেয়। ছবিটা এরকম



এখন এপ্লিকেশন ডিক্লাইন হবার পর আপনি এই সাইটে যাবেন http://www.payoneer.com/emailform.aspx
ফর্মটা এভাবে পূরণ করতে পারেন…




আপনার নাম, ই-মেইল সঠিক ভাবে পূরণ করবেন। Program/Partner এর ঘরে Others দিতে পারেন। যদি আপনি কোন Program এর সাথে থাকেন সেক্ষেত্রে নাম উল্লেখ করতে পারেন। Choose a category for your question এর ঘরে Account Applications নির্বাচন করুন। Choose the subject of your question এর ঘরে My application was declined and I’m requesting to have it reconsidered. Your questions or comment এর ঘরে আপনার কথা লিখুন। এরপরে সাবমিট করুন।

এরপর আপনার ই-মেইলে একটা মেইল আসবে। মেইলটা দেখতে কিছুটা এরকম…


 


তবে এক্ষেত্রে আমার একটা সাজেশন আছে। সেটা হল approve হবার আগে আপনি ওদের কাস্টমার সার্ভিসে চ্যাট করলে বিষয়টা আরো দ্রুত হবে। চ্যাট করতে এই লিঙ্কে যাবেন

http://www.payoneer.com/contactUs.aspx


 


এখন ওদের Live Help Offline এ আছে। সোমবার থেকে শুক্রবার ওদেরকে পাওয়া যায়। তবে চ্যাট করার সময় Security Ques এর answer প্রদান করতে হবে।
আশা করি Payoneer নিয়ে সকলের বর্তমান অসুবিধা কিছুটা হলেও সমাধান হবে।
Note:  Payoneer আপনাকে Mail করে National ID/ Passport or Driving Lisence এর Scan কপি আপলোড করতে বলবে ।
স্ক্যান করে পাঠিয়ে দিবেন ।
কার্ড Approve হলে আপনাকে Shipping Date মেইল এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। সাধারনত কার্ড আসতে ২০ থেকে ৩০ দিন লাগে। DHL এর মাধ্যমে ৬০ ডলার খরচ করে ৩ দিনে আপনার কার্ড পেতে পারেন।




 আপনার Voter id scan কপি জমা দেওয়ার করে আপলোড করলে ১ দিন এর মদ্ধে ই আপনার Payoneer এর Account Approve হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। Approve হলে নিচের মত কনফার্ম  মেইল পাবেন।

Dear Md Rubel,
Congratulations!
Your Payoneer Prepaid Debit MasterCard® card order has been approved!
Your card will be shipped by Regular mail.
Your card is estimated to arrive between 17 Apr 2013 and 24 Apr 2013

আপনারা কার্ড পাওয়ার পর ১০০ ডলার লেনদেন করলেই পেওনিয়ার আপনাকে দিচ্ছে ২৫ ডলার ফ্রি।

(সংকলিত)

Tuesday, January 13, 2015

মজার হবি ইলেক্ট্রনিক্স [পর্ব-০২] :: রেজিস্টরের কালার কোড

আসসালামুআলাইকুম, সবাইকে আগাম Happy New Year 2012 এর শুভেচ্ছা। একটি কথা বলি আমরা যারা জব করি তাদের টিউন লেখার মত সময় হয়ে উঠে না। তাই একটি টিউন করার পর পরবর্তী টিউন করতে সময় লেগে যায় অনেক তাই আপনাদের কাছে আন্তরিক ভাবে ক্ষমা চেয়ে চাইছি। যাই হোক এবার শুরু করি---
আজ তুলে ধরব “মজার হবি ইলেক্ট্রনিক্স” এর ২য় পর্ব যার টাইটেল হবে “রেজিস্টরের কালার কোড ”। এতে আমরা  রেজিস্টরের কালার কোডের মাধ্যমে কিভাবে রেজিস্টরের মান বের করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করব।

রেজিস্টরের কালার কোড

এখানে একটি 1k (1000 Ωরেজিস্টর আছে। চিত্রে লক্ষ করুন রেজিস্টরে মোট ৪টি ব্যান্ড দেখানো হয়েছে (প্রতিটি কালারকে এক একটি ব্যান্ড বলা হয়)।
এখন খেয়াল করুন উপরে কালার কোডের চার্ট দেয়া আছে। তাতে ১ম ও ২য় ব্যান্ড কে পাশাপাশি রেখে ৩য় ব্যান্ড (এটা ৪ ব্যান্ড এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) অথবা ৪ নম্বর ব্যান্ড (এটা ৫ ব্যান্ড এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) এর সাথে গুন করতে হবে অর্থাৎ চার্টে  Multiplier খেয়াল করুন ১ম হতে ২য়  অথবা ৩য় ব্যান্ড পর্যন্ত পরিষ্কার ভাবেই বুঝতে পারছেন কারন প্রতিটি ব্যান্ডের পাশেই কালার-এর জন্য নির্দিষ্ট মান দেয়া রয়েছে। Multiplier ব্যান্ডটি যা হবে তা দিয়ে গুন করে নিতে হবে।
অর্থাৎ উদাহরণ সরূপ চিত্রে চার্টের উপরের 4 band রেজিস্টর খেয়াল করুন এখানে ৪টি ব্যান্ড বা কালার দেয়া আছে । তাতে ১মে আছেGreen = 5, ২য় তে আছে  Blue = 6 এবং Multiplier আছে Yellow = 10k/10000 Ω অতএব রেজিস্টর এর মান দাড়ায়560kΩ ।
আবার চিত্রে চার্টের নিচের 5 band রেজিস্টর খেয়াল করুন এখানে ৫টি ব্যান্ড বা কালার দেয়া আছে । তাতে ১মে আছে Red = 2, ২য় তে আছে  Orange = 3 , ৩য় তে আছে Violet = 7 এবং Multiplier আছে Black = 1 Ω অতএব রেজিস্টর এর মান দাড়ায়237Ω । সুতরাং ভয় পাওয়ার কোন কারণ নাই এখন যদি 5/4  Band  যাই থাকুক না কেন কালার কোড কোন ব্যাপার না।
এখন লক্ষ করুন ৪(চার) [এটা ৪ ব্যান্ড এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য] অথবা ৫(পাচ) [এটা ৫ ব্যান্ড এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য] নম্বর ব্যান্ডটি ব্যবহার করা হয় টলারেন্স নির্ণয়ের জন্য।  আপনাদের এবার মনে প্রশ্ন  জাগতে পারে টলারেন্স কি এটা খায় না মাথায় দেয়। তাহলে এবার আমরা জানি টলারেন্স কি?

টলারেন্স কিঃ-

রেজিস্টর প্রস্তুতকারক যখন রেজিস্টর তৈরী করে থাকে,তখন তারা রেজিস্টরের সঠিক ভ্যালু বজায় রাখতে পারে না। এগুলোর মান সবসময় কিছু কম বেশি হয়ে থাকে। তাই একে অনেক সময় +/- ভ্যালুও বলা হয়। ভ্যালুর এই কম বেশি হওয়ায়ই টলারেন্স। কোন সার্কিট ডিজাইন করার সময় টলারেন্সের ব্যাপারটা মাথায় রেখে সার্কিট ডিজাইন করা হয়। আপনি রেজিস্টর এর যত মান পাবেন তার সাথে টলারেন্স যা থাকে সেটা 5% or 10% থাকুক তা +/- করে নিয়ে মান ধরবেন।

রেজিস্টর কালার কোড ক্যালকুলেটর

রেজিস্টর কালার কোড দেখে যাদের রেজিস্টরের মান বের করতে অসুবিধা হয় তারা রেজিস্টর ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারেন। এটা দেখতে  নিচের চিত্রটা দেখুন-
এটি ব্যবহার করা খুব সহজ Windows 95/98/2000/XP/2007/2008 উভয় অপারেটিং সিস্টেমে এটি কাজ করে। ১মে লক্ষ করুন নিচে মোট ৪টি ড্রপ ডাউন মেনু রয়েছে, বা দিক থেকে ১মটি রেজিস্টরের ১ম কালার ব্যান্ড, এরপর ২য় তারপর ৩য় এবং সর্বশেষ কালার  ব্যান্ডটি হলো রেজিস্টরের টলারেন্স। রেজিস্টরের ৪ নম্বর কালার ব্যান্ডটি সাধারণত ৩টি রং এর হয়ে থাকে (Gold, Silver, Brown)এবং মেনু থেকে কালার পরিবর্তন করা হলে এর উপরের মেনুতে যে মান থাকে তার পরিবর্তন হবে। উপরে, মাঝখানে যে R Unit রয়েছে, এটি রেজিস্টরের ইউনিট (ohms, kilo ohms, mega ohms)। উপরে সবচেয়ে বামপাশে যে ড্রপ ডাউন মেনু রয়েছে এর কাজ হলো রেজিস্ট্ররের কোন একটি ভ্যালু দেয়া। মনে করুন আপনার 100 ওমসের একটি রেজিস্ট্রর দরকার, কিন্তু আপনি জানেন না এই মানের জন্য রেজিস্ট্ররের কি কি কালার থাকবে। এক্ষেত্রে আপনি ড্রপ ডাউন মেনু থেকে 100 Select করে  Convert buttonকিল্ক করুন, দেখবেন নিচের ড্রপ ডাউন মেনু গুলোতে পর্যায়ক্রমে তিনটি কালার এর নাম সহ রং দেখাচ্ছে। E12/E24 হচ্ছে রেজিস্ট্রর সিরিজ, বেশীরভাগ ইলেক্ট্রনিক্স সার্কিটে এই সিরিজের রেজিস্ট্রর ব্যবহার করা হয়ে থাকে, সুতরাং এটা যেরকম আছে সেভাবেই থাকবে। রেজিস্ট্রর কালার বের করার জন্য এখন আর কোন ডিজিটাল অথবা এনালগ মাল্টিমিটার কিংবা কালার কোড মুখস্থ  করারও দরকার নেই। শুধু মাত্র রেজিস্ট্রর ক্যালকুলেটর সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে নিন যার ফাইল সাইজ মাত্র 209KB । আর একটি মজার ব্যাপার হলো এটি পোর্টেবল সফট ফলে ইন্সটল করার ঝামেলা মুক্ত। নীচে এর মিডিয়াফায়ার ডাউনলোড লিংক টি দিয়ে দিলাম।
(চলবে......)
পরবর্তী টিউন হবে ক্যাপাসিটর নিয়ে ।
টিউনে কোন ভুল হলে জানাবেন এবং ক্ষমার চোখে দেখবেন।

মজার হবি ইলেক্ট্রনিক্স [পর্ব-০১] :: রেজিস্টর

আসসালামুআলাইকুম টেকটিউনস এর সকল বন্ধুদের শীতের শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি। ২৩ তারিখ মিটআপে মেহেদী ভাই এবং সকল বন্ধুদের অনুরোধ ক্রমে জানিয়েছিলাম যে খুব শিগ্রি  আমি  ইলেক্ট্রনিক্স এবং মাইক্রোকন্ট্রোলার এর উপর চেইন টিউন করব। তাই আজ থেকে আল্লাহের নাম নিয়ে শুরু করছি। আর একটা কথা অনেক বন্ধুরা আমাকে জানিয়েছিল যে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর উপর আলাদা টিউন করতে। তাই আমি ইনশাআল্লাহ মাইক্রোকন্ট্রোলার এর উপর  আলাদা টিউন করার ইচ্ছা আছে।
আজ শুরু করব ইলেক্ট্রনিক্স এর বেসিক লেভেল হতে। আমার টিউন হতে তারাই উপকৃত হবেন যারা ইলেক্ট্রনিক্স সম্পর্কে কিছুই জানেন না কিন্তু আগ্রহ আছে ইলেক্ট্রনিক্স এর উপর। যাতে হাতে কলমে কাজ করতে পারেন।
আজ যে কম্পোনেন্ট এর উপর লিখব তা হল রেজিস্টর বা রোধ-

রেজিস্টর

এটি ইলেক্ট্রনিক্স এর মুল কম্পোনেন্ট গুলোর একটি। এটি ভোল্টেজ এবং কারেন্টকে সার্কিট বা বর্তনীতে প্রবাহে বাধা প্রদান করে। একটি রেজিস্টর কি পরিমাণে ভোল্টেজ এবং কারেন্টকে বাধা প্রদান করবে তা নির্ভর করে উক্ত রেজিস্টর এর রেজিস্টিভিটি এর উপর। আর এই রেজিস্টরএর একক নির্ধারণ হয় ওহম (Ω) এ।
রেজিস্টর আছে অনেক প্রকারের ।যথাঃ-
  1. 1.    Fixed Resistors:
1.1.  Carbon Resistors :
a)        Carbon Fila Resistors
b)        Solid Resistors
1.2.   Metal Resistors:
a)        Metal Fila Resistors
b)        Metal Oxide Fila Resistors
1.3.   Metal Glazed Type Resistors:
a)        Chip Resistors
b)        Chip Network Resistors
c)         Network Resistors
1.4.   Other:
a)        Wire Wound Resistors
b)        Theraistors
c)         Varistors
2. Variable Resistors:
2.1.   Metal Glazed Type Resistors
a)        Chip Variable Resistors
2.2.   Carbon based Type Variable Resistors:
a)        Carbon based Turning Type Variable Resistors
2.3.   Wire Wound Type Variable Resistors

রেজিস্টর চিনার উপায়ঃ

আমার কাছে যত ইমেইল এবং রিকুয়েস্ট আসে তার বেশির ভাগই উল্লেখ থাকে কালার কোড সম্পর্কিত সমস্যার কথা। যেমন রেজিস্টরের কালার কোড কিংম্বা ক্যাপাসিটর এর মান বের করতে না পারা। তাই আজ আমি রেজিস্টরের কালার কোড দেখে,কালার কোড ক্যালকুলেটরের এবং মাল্টি মিটারের সাহায্য সহজে রেজিস্টর এর মান বের করা যায় তাই নিয়ে আলোচনা করব। আসলে রেজিস্টর এর কালার কোড মুখস্থ রাখার চেয়ে সহজ পদ্ধতি আর নেই। এবং এর ফলে কোন মিটার বা সফটওয়্যার এর দরকার হবে না। আপনি যেকোন রেজিস্টর এর চেহারা ও কালার কোড দেখে  বুঝে ফেলবেন এর মান কত। আর রেজিস্টর এর কালার কোড মুখস্থ করতে বড় জোর মিনিট ১৫ লাগতে পারে। আর তাও যদি না চান তাহলে   নিচের চিত্রটি সাথে রাখুন। এটি অনেকটা সাইকেল শিখার মতই  একবার শিখে ফেললে আর ভুলবেন না।
(চলবে......)
আগামী টিউনে আমরা রেজিস্টরের কালার কোড সম্পর্কে জানব।