Tuesday, January 13, 2015

মজার হবি ইলেক্ট্রনিক্স [পর্ব-০১] :: রেজিস্টর

আসসালামুআলাইকুম টেকটিউনস এর সকল বন্ধুদের শীতের শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি। ২৩ তারিখ মিটআপে মেহেদী ভাই এবং সকল বন্ধুদের অনুরোধ ক্রমে জানিয়েছিলাম যে খুব শিগ্রি  আমি  ইলেক্ট্রনিক্স এবং মাইক্রোকন্ট্রোলার এর উপর চেইন টিউন করব। তাই আজ থেকে আল্লাহের নাম নিয়ে শুরু করছি। আর একটা কথা অনেক বন্ধুরা আমাকে জানিয়েছিল যে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর উপর আলাদা টিউন করতে। তাই আমি ইনশাআল্লাহ মাইক্রোকন্ট্রোলার এর উপর  আলাদা টিউন করার ইচ্ছা আছে।
আজ শুরু করব ইলেক্ট্রনিক্স এর বেসিক লেভেল হতে। আমার টিউন হতে তারাই উপকৃত হবেন যারা ইলেক্ট্রনিক্স সম্পর্কে কিছুই জানেন না কিন্তু আগ্রহ আছে ইলেক্ট্রনিক্স এর উপর। যাতে হাতে কলমে কাজ করতে পারেন।
আজ যে কম্পোনেন্ট এর উপর লিখব তা হল রেজিস্টর বা রোধ-

রেজিস্টর

এটি ইলেক্ট্রনিক্স এর মুল কম্পোনেন্ট গুলোর একটি। এটি ভোল্টেজ এবং কারেন্টকে সার্কিট বা বর্তনীতে প্রবাহে বাধা প্রদান করে। একটি রেজিস্টর কি পরিমাণে ভোল্টেজ এবং কারেন্টকে বাধা প্রদান করবে তা নির্ভর করে উক্ত রেজিস্টর এর রেজিস্টিভিটি এর উপর। আর এই রেজিস্টরএর একক নির্ধারণ হয় ওহম (Ω) এ।
রেজিস্টর আছে অনেক প্রকারের ।যথাঃ-
  1. 1.    Fixed Resistors:
1.1.  Carbon Resistors :
a)        Carbon Fila Resistors
b)        Solid Resistors
1.2.   Metal Resistors:
a)        Metal Fila Resistors
b)        Metal Oxide Fila Resistors
1.3.   Metal Glazed Type Resistors:
a)        Chip Resistors
b)        Chip Network Resistors
c)         Network Resistors
1.4.   Other:
a)        Wire Wound Resistors
b)        Theraistors
c)         Varistors
2. Variable Resistors:
2.1.   Metal Glazed Type Resistors
a)        Chip Variable Resistors
2.2.   Carbon based Type Variable Resistors:
a)        Carbon based Turning Type Variable Resistors
2.3.   Wire Wound Type Variable Resistors

রেজিস্টর চিনার উপায়ঃ

আমার কাছে যত ইমেইল এবং রিকুয়েস্ট আসে তার বেশির ভাগই উল্লেখ থাকে কালার কোড সম্পর্কিত সমস্যার কথা। যেমন রেজিস্টরের কালার কোড কিংম্বা ক্যাপাসিটর এর মান বের করতে না পারা। তাই আজ আমি রেজিস্টরের কালার কোড দেখে,কালার কোড ক্যালকুলেটরের এবং মাল্টি মিটারের সাহায্য সহজে রেজিস্টর এর মান বের করা যায় তাই নিয়ে আলোচনা করব। আসলে রেজিস্টর এর কালার কোড মুখস্থ রাখার চেয়ে সহজ পদ্ধতি আর নেই। এবং এর ফলে কোন মিটার বা সফটওয়্যার এর দরকার হবে না। আপনি যেকোন রেজিস্টর এর চেহারা ও কালার কোড দেখে  বুঝে ফেলবেন এর মান কত। আর রেজিস্টর এর কালার কোড মুখস্থ করতে বড় জোর মিনিট ১৫ লাগতে পারে। আর তাও যদি না চান তাহলে   নিচের চিত্রটি সাথে রাখুন। এটি অনেকটা সাইকেল শিখার মতই  একবার শিখে ফেললে আর ভুলবেন না।
(চলবে......)
আগামী টিউনে আমরা রেজিস্টরের কালার কোড সম্পর্কে জানব।

No comments:

Post a Comment